Home / STORY LESSON / জঙ্গীদের প্রতি ঘৃনা বাড়ানোর বড়ি!

জঙ্গীদের প্রতি ঘৃনা বাড়ানোর বড়ি!

১)
আজ মুসলমান সম্প্রদায়ের এক বড় উৎসব।আমার এধরনের লেখা ঠিক হচ্ছেনা তবু দেশের পরিস্থিতি আমাকে বাধ্য করছে এধরনের লেখার জন্য।দেশ শান্তিময় আর হবেনা বলবোনা, আমরা শুভ শক্তি এই বলে আমরা সহজে জিতে যাবো বা এই সংকট থেকে মুক্তি পাওয়া একেবারে সহজ ভেবে হাতগুটিয়ে বসে থাকলে আমরা জিতবোই কিন্তু সংকট কাটাতে আমাদের কষ্টই বেশি হবে।

এখন প্রতিটি মুহুর্ত খুবই গুরুত্বপূর্ণ সজাগ ও থাকতে সমস্যা সমাধান ও করতে হবে।এমুহুর্তের প্রতিটি সিদ্ধান্তই বদলে দিবে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা অনীহা অসচেতনতাই বদলে দেশের মানচিত্র কালো ছায়াই ডেকে যাবে এতে আমাদের ভাবমূর্তির রক্ষার সফলতা ও কাজে আসবেনা সেদিন বাকশক্তিটা কালো-হাতের চাপে ছোট হয়ে যাবে।জাতীয় সংকট নিরসনে আমাদের প্রজন্মদের ভুল পথ সম্পর্কে বুঝাতে হবে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।হ্যা এর মাধ্যমে না কে ঘৃনা করতে হবে এবং না এর মাধ্যম দিয়ে হ্যা কে ভালবাসতে এবং হ্যা কে বেচে নিতে হবে।

(২)
রাষ্ট্রের পাপে জঙ্গীরা বেড়ে যাবে কি?

জঙ্গীরা হামলা করলো হলি আর্টিসেন বেকারী নামক একটি স্প্যানিশ রেস্তোরাতে এতে দেশি বিদেশী মানুষের প্রান তো গেলো দেশের অর্থনৈতিক পরিবেশে প্রচুর প্রশ্নবিদ্ধ না হয়ে আছে কি?২০১৩ সালে বাংলাদেশী অভ্যন্তরীন কিছু জঙ্গী বাংলাদেশকে একটি বেকায়দায় পড়া অকেজো অর্থনৈতিক মন্দাসম্পন্ন একটা রাষ্ট্রে পরিনত করতে চেয়েছিল সেই সংকট থেকে দেশকে মুক্ত করে যখন দেশ একটু এগুলো এরপর যে চরম নিরাপত্তা সংকট দেখা দিয়েছে এতে কি বর্তমান সরকারের কোন দোষ নেই?সরকারকে বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গনমাধ্যম সজাগ করতে চেয়েছিল “আই এস”সংগঠনটি বাংলাদেশ থেকে সদস্য সংগ্রহ করছে।এবং বারে বারে বিভিন্ন ভাবে ছোট বড় হত্যাকান্ড ঘটাচ্ছে ঘরে বাইরে, মসজিদ মন্দির ইমাম পুরোহিত, ধর্মযাজক, পাদ্রী কে দিন রাত একই নিয়মে হত্যা করেই যাচ্ছে আর ঐসময় মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যগুলোই,যেমন আই এস এড়িয়ে, অস্বীকার করা আই এসের অস্তিত্ব অস্বীকার করা বা ভিন্ন মতের রাজনৈতিক নেতাদের উপর দোষ চাপিয়ে দেওয়া এগুলো কি আই এসের প্রস্তুতি এবং ঘাটিকে আরো শক্তপোক্ত করে দিলনা?বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গনমাধ্যম বিশিষ্ট জনরা গুলশান হামলার জন্য রাজনৈতিক সংকটকে দ্বায়ী করেছেন।এরপরেও ববর্তমান সরকার জাতীয় ঐক্যের ডাক না দিয়ে দোষাদোষি রাজনীতি রাষ্ট্রের জন্য কতটুক সফলতা বয়ে আনছে?এই পরিস্থিতিে দোষাদোষি করাটা কি রাষ্ট্রের চরম পাপ নই?

(৩)
আমাদের নবপ্রজন্মকে জঙ্গী বিরোধী মনমানসিকতা গড়ে তুলতে চাইলে প্রথমত সবার মনে জঙ্গীদের প্রতি ঘৃনা গুলো বিষতীরের মত গাথাতে হবে। গুলশান হামলার যে ক’জন জঙ্গীর লাশ মর্গে জমা পড়ে আছে অগুলো না পৌছে দিতে পারার ব্যর্থতা কি রাষ্ট্রীয় পাপ নই?রাষ্ট্র ঐ কুলাঙ্গারদের লাশ কেনো দেশের ইলেকট্রিসিটি খরচ করে হিমাগারে রাখবে?এ লাশ গুলো হিমাগারে রাখা ও কি রাষ্ট্রীয় পাপ নই?এদের বাবা মা টাকা খরচ করে এতোদিন জঙ্গী পোষেছে,আজ লাশ নিতে অস্বীকৃতি জানালেও বা পরিচয় দিতে অস্বীকৃতি জানালেও তাদের পরিচয় নিয়ে নিয়ে লাশ গুলো পৌছে দিয়ে লাশ গুলো কতটুকু অপদস্ত হয় সে মূহুর্ত গুলোকে লাইভ দেখাক নিউজ চ্যানেল গুলো।ক্ষমা চেয়ে রাষ্ট্র কে দোষী করার জন্য ঐসব জঙ্গীর বাবা মাকে ও শাস্তি দেওয়া হোক।আর সেই শাস্তি গুলোও লাইভ সম্প্রচার করা হোক।মানুষ দেখুক,প্রজন্ম দেখুক জঙ্গী হলে তাদের আত্মীয় স্বজনের মাথা কতটুকু নিচু হয়ে যায়,এতে করে জিরো টলারেন্সে জঙ্গী নিধন গ্রেফতার করার চেয়ে তার আগেই এ নিয়ম ফল আগে দিবে।

লেখক:তানভিরুল মিরাজ রিপন

Loading...

Check Also

সোহাগী জাহান তনুর খোলা চিঠি…

আমি সোহাগী জাহান তনু বলছি। চোখে অশ্রু আর এক বুক যন্ত্রনা নিয়ে লিখতে বসেছি। কখনো …

Leave a Reply

Your email address will not be published.