Home / RESUME & CV / জীবনবৃত্তান্ত লিখন

জীবনবৃত্তান্ত লিখন

একটি মানসম্মত জীবনবৃত্তান্ত বানানোর উপায়

আপনার জীবনবৃত্তান্ত একটি সম্ভাব্য নিয়োগকর্তার একটি কাজের জন্য একটি প্রার্থী হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন প্রাথমিক মাধ্যম। কিন্তু চাকরিপ্রার্থীরা অনেক সঠিক মনোযোগ দিতে এবং সঠিকভাবে তাদের জীবনবৃত্তান্ত প্রস্তুত না। এর ফলে, অনেক সম্ভাবনাময় চাকরিপ্রার্থীরা তাদের সম্ভাব্য উপস্থাপন ও প্রমাণ করার সুযোগ পেতে কাজের সাক্ষাতকার জন্য কল পাবেন না।


জীবনবৃত্তান্ত তৈরির সময় নিচের বিষয়গুলোতে মনযোগ দিতে হবেঃ

  • সাধারণত একজন নিয়োগদাতা একটা জীবনবৃত্তান্ত দেখতে ৩০ সেকেন্ডের বেশী সময় দেন না।সুতরাং জীবনবৃত্তান্ত হতে হবে সুনির্দিষ্ট এবং সুস্পষ্ট। অপ্রয়োজনীয় এবং অপ্রাসঙ্গিক তথ্য পরিহার করা উচিত।।
  • একজন সদ্য পাশ করা অথবা অনভিজ্ঞ চাকুরিপ্রাথীর জীবনবৃত্তান্ত এক থেকে দুই পৃষ্ঠার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত।
  • আপনার জীবনবৃতান্ত হচ্ছে আপনাকে তুলে ধরার একটি উপায়। তাই এটি আকর্ষনীয় হওয়া বাঞ্চনীয়। কিন্তু রঙিন কাগজ বা রঙিন কালির ব্যবহার করা উচিত নয়। কোনো তথ্য হাইলাইট করার জন্য বোল্ড, ইটালিক বা আন্ডারলাইন হতে হবে
  • মনে রাখবেন জীবনবৃত্তান্তে যেকোন প্রকার ব্যাকারণগত অথবা বানানগত ভুল নিয়োগদাতার মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া আনতে পারে। এটি থেকে ধারণা লাভ করা যায় যে আপনি কোনো কাজই সঠিকভাবে করতে পারেন না। সুতরাং জীবনবৃতান্ত তৈরি করার পর, খুব ভালোভাবে নিজে এবং ইংরেজীতে দক্ষ এমন কারো দ্বারা যাচাই করে নিন।
  • যখন কোনো নির্দিষ্ট চাকুরীর বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করবেন, চেষ্টা করবেন চাকুরীর চাহিদানু্যায়ী আপনার জীবনবৃত্তান্তটি সাজাতে। চাকরির বিজ্ঞপ্তিটি ভালোভাবে পড়ুন এবং আনুষাঙ্গিক তথ্য অনুসন্ধান করুন।
  • সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আপনার উচিত হবে সঠিক এবং সত্য তথ্য দিয়ে জীবনবৃত্তান্তটি সাজানো। ।আপনার এমন কোন তথ্য দেওয়া উচিত হবে না যেটা চাকরি ইন্টারভিউ এ মিথ্যা প্রমাণিতহয়।
একটি জীবনবৃত্তান্তের বিভন্ন অংশ

নিচের তথ্যগুলো জীবনবৃত্তান্তে সুগঠিতভাবে সাজাতে হবেঃ

  • শিরোনাম
  • কর্মজীবনের সারাংশ
  • কর্মজীবনের লক্ষ্য
  • অভিজ্ঞতা
  • শিক্ষা
  • আনুষঙ্গিক
  • ব্যাক্তিগত তথ্যাবলি
  • রেফারেন্স

One comment

  1. I interest for this post

Leave a Reply

Your email address will not be published.